Saturday, 7 February 2015

সংসার তরণী

সংসার ধরি একটি নৌকা যার কান্ডারী স্বামী।
পাড়ী দিতে হয় তরঙ্গ বিক্ষুদ্ধ নদী ,খাড়ী, বালুচর আর বেলা ভূমী।
বাতাসের দিকে খাটাতে হয় পাল ,ধরতে হয় শক্ত হাতে হাল।
জোয়ার ভাটার সাথে রেখে তাল।

পাকা মাঝি পাড়ী দেবে যাত্রী নিয়ে, ঠিক পৌছে যাবে তীরে ।
অন্যথায় দোদুল্যমান হবে ঢেউয়ের তরঙ্গে, নইলে আটকাবে বালুচরে।
স্বামীর চাই স্বুস্হ বুদ্ধি,বিবেচনা,হৃদয়ের উষ্ণ গভীরতা সহ ভালবাসার মানসিকতা।
সন্তানের জন্য চাই মঙ্গলাকংখী নিবেদিত প্রাণ পিতা।
প্রভূ নয় প্রিয় হলেই থাকবে পাশে স্রী, পুত্র ,কন্যা থাকবে স্বার্থ অণুকূলে।
সংসার তার সুশোভিত হবে স্নিগ্ধ পত্র-পল্লবে, ছেয়ে যাবে ফুলে ফলে।
খামখেয়ালী বিবেচনা হীন পুরুষ নিদারুন যন্ত্রনা সংসার জগতে।
বিক্ষুদ্ধ তরঙ্গায়িত নদীতে যাত্রীকে ঝড় ঝঞ্জায় ডুবিয়ে দেয় মহাকালের স্রোতে।
নারীকে অবলা দুর্বল পেয়ে দেখায় যত পেশী শক্তি অবেহলা অপমান।
আসলে নিজের বংশেই টেনে আনে দূর্যোগ ,জ্বলেনা বাতি আর দেদীপ্যমান।
যুগে যুগে নিষ্ঠুর বর্বরতায় ঝরে গেছে কত জীবন ,ছাই হয়েছে কত সংসার ।
নিষ্ঠুর দাবানলে অগনিত নারী, শিশু পুড়ে হয়েছে ছারখার।
খামখেয়ালী ভোগ দেয়না শান্তি রিপুর তাড়নায় করে যা ক্ষনস্হায়ী।
ভালবাসায় শান্তি, কমতি হয়না কামনা বাসনায় ,রচিত হয় সৌধ মনের মীনারে চিরস্হায়ী।
প্রভূ দাসী অনূপুরক মিলিত সংসারে নেমে আসে দূর্গতি।
পরিপুরক স্বামী স্রীর মিলিত প্রয়াসেই শান্তি ,স্বস্হি. প্রগতি।
নর নারী দ্বন্ধ অবসানে কেউ খাটো নয় পরস্পরে দিতে হবে মান।
অন্যথায় নর নারী বিভক্ত হয়ে মানব জাতিই বিপন্ন হবে, ভয়াবহ হবে যার পরিনাম।
সৃষ্টি কর্তার অমোঘ নিয়ম নর নারী একে অন্যকে ছেড়ে সুস্হ শান্তির নেই কোন গতি।
বুঝে শুনেই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ অধিপতি।

No comments:

Post a Comment