১৯৮০ সাল, মক্কায় ছিলাম। মদীনা ঘুরে আসলাম ভালো ভাবেই। রমজানের শেষের দিকে
ওমরা শেষ করে বাড়ীর দিকে আসতেছি সাথে ৫ বছরের মেয়ে।
কাবায় রমজানে এমনিতেই ভীড় থাকে বেশী,কাবা ঘরের পাশেই থাকতাম,
প্রায়্ই মাগরীব, এশা পড়ে একবারে ঘরে ফিরতাম।
আমরা যে বাড়ীটাতে থাকতাম ১২তলা ভবন ছিলো নিচের দিকে অনেক তলা মার্কেট ছিলো।
লিফটগুলি দেখতে এক রকম ছিলো বাচ্চারা লিফট নিয়ে দুষ্টামি করে করে বিধায়
আরব গার্ড থাকতো লিফটে, একা বাচ্চাদের লিফটে উঠতে দিতো না ওদের হাতে চাবুক থাকতো।
সিড়ি গুলি কেউ ব্যবহার না করার ফলে ময়লা, অন্ধকার আর বিড়ালদের রাজত্ব ছিলো।
জায়গায় জায়গায় বিড়াল বাচ্চা নিয়ে কুন্ডলি পাকায় আছে পাশ দিয়ে যাওয়া যায়না
যে বিকট হুঙ্কার দেয় ছোটদের থাক বড়দেরও মনে ভয় জাগে কখন এসে আক্রমন করে।
আমরা ৬ তলায় থাকতাম।সেদিন ও আমরা কাবায় ইফতার করি এশা পড়ে বাড়ির পথে ছিলাম
মেয়ের বাবা কার সাথে কথা বলতে বলতে প্রায় একঘন্টা দেরী করে। আমি ভাবলাম মেয়ে ওর বাবার সাথে আছে
ওর বাবা তো আমার কাছে ভেবে কিছু না বলে চলে গেছে, আমি দাড়িয়েঁ আছি ঠাঁয় । আসলে পরে দেখি মেয়ে নাই
অনেক দেরী হয়ে গেছে কোথায় খুজবো । মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। কোথায় যাবো কার কাছে বলবো
আরবি জানিনা। ওর বাবা রেগে আগুন, প্রতিজ্ঞা করেছে যা হয় হবে খুজতে যেতে পারবেনা। শেষ পর্যন্ত কোন চেষ্টা না করেই বাসায় ফিরে । আমার দম আটকিয়ে আসছিলো হেটে আসতে সব অন্ধকার দেখছিলাম।লিফট থেকে নেমে করিডোরে
আসতেই ওকে দেখলাম দরজায় দাড়ানো। জানে পানি আসলো হয়তো আমার।ওর কাছে শুনলাম কি ভাবে বাড়ি ফিরেছে। ও প্রথমে ভেবেছে আমরা মার্কেটে গেছি,ওকে নেই নাই এটা ভেবেই মন কষ্টে ফেটে যাচ্ছিলো। প্রত্যেক দোকানে আমাদের খুজেছে না পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসব ভেবে লিফটের কাছে এসেছে কিন্তু লিফট ম্যান ওকে ঊঠতে দেয় নাই। চাবুক দিয়ে ভয় দেখিয়েছে মেয়েতো আরবি তেমন জানেনা বলতেও পারে নাই , আমি বাসায় যাবো বা আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি। পরে সিড়ির কথা ভাবলো কি করে আশ্চর্য হই ! কোনদিন সিড়ি দিয়ে উঠে নাই। সেদিন সিড়ি দিয়ে নাকি কত বার উঠেছে ঠিক নাই। বিড়ালের ভয়ে সিড়ি থেকে পড়েছে কয়েকবার । বার বার ভুলে যায় কয় তালায় উঠছে সন্দেহ হওয়াতে । প্রত্যেকটা দরজায় আরবিতে নেম প্লেট । অনেক খুজে বাবার নামটা বের করেছে।মেয়ে ভাবছিলো বাবা ওর জন্য ঈদের জামা কিনে ফিরবে, পরের দিন ঈদ। ।কিন্তু পরের পর্ব সুখোকর ছিলোনা ,সে কথা নাই বা বললাম।
পরের দিন ফজরের নামাজ পড়তে কাবায় যাই, ফযরের নামাজের সাথে সূর্য্য উঠার পর ঈদের নামাজ পড়লাম কাবাতে। তারপর জাবালে নূরে উঠলাম।
“দেখলাম হেরা পর্বতের গুহা যেখানে জীবরাইল আ: এসেছেন হযরত মোহাম্মদ স: আ: কাছে
যেখানে কোরআন নাজিল হয়েছে”
এর পরে ঘরে এসে ঘুম।মেহমানদের কলিং বেলে জাগলাম আর বিকেলে ছোট্ট একটা পার্টি হয়।
বাচ্চারা ঈদের আনন্দ শেয়ার করে।
ওমরা শেষ করে বাড়ীর দিকে আসতেছি সাথে ৫ বছরের মেয়ে।
কাবায় রমজানে এমনিতেই ভীড় থাকে বেশী,কাবা ঘরের পাশেই থাকতাম,
প্রায়্ই মাগরীব, এশা পড়ে একবারে ঘরে ফিরতাম।
আমরা যে বাড়ীটাতে থাকতাম ১২তলা ভবন ছিলো নিচের দিকে অনেক তলা মার্কেট ছিলো।
লিফটগুলি দেখতে এক রকম ছিলো বাচ্চারা লিফট নিয়ে দুষ্টামি করে করে বিধায়
আরব গার্ড থাকতো লিফটে, একা বাচ্চাদের লিফটে উঠতে দিতো না ওদের হাতে চাবুক থাকতো।
সিড়ি গুলি কেউ ব্যবহার না করার ফলে ময়লা, অন্ধকার আর বিড়ালদের রাজত্ব ছিলো।
জায়গায় জায়গায় বিড়াল বাচ্চা নিয়ে কুন্ডলি পাকায় আছে পাশ দিয়ে যাওয়া যায়না
যে বিকট হুঙ্কার দেয় ছোটদের থাক বড়দেরও মনে ভয় জাগে কখন এসে আক্রমন করে।
আমরা ৬ তলায় থাকতাম।সেদিন ও আমরা কাবায় ইফতার করি এশা পড়ে বাড়ির পথে ছিলাম
মেয়ের বাবা কার সাথে কথা বলতে বলতে প্রায় একঘন্টা দেরী করে। আমি ভাবলাম মেয়ে ওর বাবার সাথে আছে
ওর বাবা তো আমার কাছে ভেবে কিছু না বলে চলে গেছে, আমি দাড়িয়েঁ আছি ঠাঁয় । আসলে পরে দেখি মেয়ে নাই
অনেক দেরী হয়ে গেছে কোথায় খুজবো । মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। কোথায় যাবো কার কাছে বলবো
আরবি জানিনা। ওর বাবা রেগে আগুন, প্রতিজ্ঞা করেছে যা হয় হবে খুজতে যেতে পারবেনা। শেষ পর্যন্ত কোন চেষ্টা না করেই বাসায় ফিরে । আমার দম আটকিয়ে আসছিলো হেটে আসতে সব অন্ধকার দেখছিলাম।লিফট থেকে নেমে করিডোরে
আসতেই ওকে দেখলাম দরজায় দাড়ানো। জানে পানি আসলো হয়তো আমার।ওর কাছে শুনলাম কি ভাবে বাড়ি ফিরেছে। ও প্রথমে ভেবেছে আমরা মার্কেটে গেছি,ওকে নেই নাই এটা ভেবেই মন কষ্টে ফেটে যাচ্ছিলো। প্রত্যেক দোকানে আমাদের খুজেছে না পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসব ভেবে লিফটের কাছে এসেছে কিন্তু লিফট ম্যান ওকে ঊঠতে দেয় নাই। চাবুক দিয়ে ভয় দেখিয়েছে মেয়েতো আরবি তেমন জানেনা বলতেও পারে নাই , আমি বাসায় যাবো বা আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি। পরে সিড়ির কথা ভাবলো কি করে আশ্চর্য হই ! কোনদিন সিড়ি দিয়ে উঠে নাই। সেদিন সিড়ি দিয়ে নাকি কত বার উঠেছে ঠিক নাই। বিড়ালের ভয়ে সিড়ি থেকে পড়েছে কয়েকবার । বার বার ভুলে যায় কয় তালায় উঠছে সন্দেহ হওয়াতে । প্রত্যেকটা দরজায় আরবিতে নেম প্লেট । অনেক খুজে বাবার নামটা বের করেছে।মেয়ে ভাবছিলো বাবা ওর জন্য ঈদের জামা কিনে ফিরবে, পরের দিন ঈদ। ।কিন্তু পরের পর্ব সুখোকর ছিলোনা ,সে কথা নাই বা বললাম।
পরের দিন ফজরের নামাজ পড়তে কাবায় যাই, ফযরের নামাজের সাথে সূর্য্য উঠার পর ঈদের নামাজ পড়লাম কাবাতে। তারপর জাবালে নূরে উঠলাম।
“দেখলাম হেরা পর্বতের গুহা যেখানে জীবরাইল আ: এসেছেন হযরত মোহাম্মদ স: আ: কাছে
যেখানে কোরআন নাজিল হয়েছে”
এর পরে ঘরে এসে ঘুম।মেহমানদের কলিং বেলে জাগলাম আর বিকেলে ছোট্ট একটা পার্টি হয়।
বাচ্চারা ঈদের আনন্দ শেয়ার করে।
No comments:
Post a Comment