Saturday, 7 February 2015

মৃত্যুঞ্জয়ী


‍বিদ্যুৎহীন গ্রীষ্মকালে জ্যোৎসনা ঝরা রাতে।
বল‍‍‍লো সুমন গল্প ব‍ল বস‍ল‍ মাদুর পে‍তে।
শুনবো না আজ দৈত্য দানব ডাইনী পরীর কথা।
জুজুর ভয় পাই না আ‍‍মি ‍‍ওসব বাজে কথা।

শুনবো আমি মু‍ক্তি যুদ্ধের বীর যোদ্ধাদের কথা।
শুনবো আ‍‍মি স্বা‍ধীনতার অমর ‍বিজয়গাঁথা।
শোন ব‍‍লি, ‍বিশ বছরের রাসেল তখন ভাবতো সারা‍দিন।
যুদ্ধে তাকে যেতেই হবে জুলুম সইবে না কোন‍ ‍দিন।
ভারত যাবে সাধ ‍ছিলো তার করতে ‍ছিল কাজ।
ভাইরা বললো দেশের ‍ভিতর থাকতে হবে আছে অনেক কাজ।
এ সপ্তাহে অপারেশনে আসবে পাক আ‍‍র্মি।
তার আগে গু‍ছিয়ে নাও তাড়াতা‍ড়ি।
ও‍ ‍দিক থেকে যখন আসতে থাকবে আর্মিদের ট্রাক।
এ‍ ‍দিক থেকে উড়িয়ে দেবে সেতু কালভা‍র্ট।
মনে থাকে যেন সম‍যের হবে না কোন ভুল।
‍ডিনামাইট বেঁধে বের হয়েছে ভবিষ্যৎ ‍ছিলো অন‍ি‍শ্চিত প্রতিক‍ুল।
ওত পেতে ‍ছিলো আসে পাশে কান ‍ছিলো খাড়া।
লোহার সে‍তুতে শব্দের শ্রু‍তি বন্ধ নড়া চড়া।
রাতের ‍নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে সশব্দে উড়ে গেল সেতু পড়ে‍ গেল ট্রাক প‍া‍নিতে।
ক্লান্ত প‍িরশ্রান্ত ওরাও অনন্ত ঘুমে, ঢলে পড়লো বাংলা‍‍র মা‍টিতে।
প্রচন্ড আক্রশে পাক সেনারা ঘরে ঢুকে বলে তেরা লাড়কা ‍কিধ্যার হ্যায়।
বলা‍র আগেই বললো রাজাকার মু‍ক্তি বাহিনী মে হ্যায়।
রেগে মেগে পাক সেনারা ব্রাশ ফায়ারে করলো সব একাকার।
অবশেষে আগুন জ্বা‍লিয়ে সারা গ্রাম করলো ছারখার।

No comments:

Post a Comment