Saturday, 28 March 2015

হেমন্ত শিশির

উত্তরিয়া বাওয়ে সাজিলরে ময়ূর পঙ্ক্ষী নাও।
বাপের বাড়ী যায়রে নায়োরী রসুল পুর গাঁও।

‍শিশির ভেজা সবুজ ছাওয়া ভোরের লালিমায়।
আল্লাহ রসুলের নাম নিয়ে মাঝি বৈঠা বায়।
নদীর পাড়ের নব ধানেরা ‍সেজেছে সোনালী রং সাজে।
নুয়ে আছে কুয়াসার চাদরে নব বধুর লাজে।
গরু ছাগল নিয়ে রাখাল যায় যে নদীর তটে।
কচি ঘাসে ভরা মাঠ খুশির জাবর কাটে।
নতুন ধানের নবান্ন হবে আ‍ত্মীয় কুটুম নিয়ে।
বেয়াই জামাই করবে খুশী পিঠা পুলি দিয়ে।
গরুর বাছুর ছাগল ছানা দিচ্ছে কচি ঘাষে মুখ ।
তিড়িং বিড়িং নাচছে যেন উথলে উঠছে সুখ।
নতুন বীজে ‍শ‍ীতের ফসল উঠছে ভুঁই ফুড়ি।
শিশির ‍সিক্ত‍ নতুন চারার‍‍া মেলছে নব নব কুড়ি।
হেমন্তের এই মিষ্টি হীমে লাটিম লাটাই দেয় যে মনে দোলা।
নৌকা চড়া, মাছ ধরা, শপলা শালুক তোলা।
জলকে চলে কিশোরী সখিনা সখী সহ ঘা‍টে।
নাওয়া শেেষ কলসি কাঁখে বাড়ীর পানে হাটে।
শফিরা উড়ায় রঙ্গিন ঘুড়ি আকাশের ‍নীলিমায়।
আঁড় নয়নে স্বপ্ন আঁকে ভাসে রঙ্গিন ভেলায়।
দুরন্ত কৈশর মানস পটে সোনালী ছবি আঁকে।
সোনালী ্অতিতের জীবন্ত ছবি ভাসে জীবনের বাঁকে বাঁকে।

No comments:

Post a Comment