Tuesday, 3 February 2015

নির্যাতিত নারী

কোথায় সেই স্বর্ণযুগ রেসালা‍‍তের।
চারিদিকে ‍দেখি সব কিছু জাহিল্যিয়াতের।
স্বার্থান্ধ দেবতারা মেয়েদের রেখেছিলো দাসী করে।
আজো মুক্তি পায়নি মেয়েরা মাথা ঠুকে ঠুকে মরে।

‍লান্চিত হয় লম্পট বাপ ভাইয়ের হাতে।
প্রেমিক প্রবরও ছাড়েনা না পারলে মর্জি মেটাতে।
স্বামীরা যৌতুকের তরে করে নির্যাতন।
অনাদায়ে বলী হয়, দেয় প্রান বিসর্জন।
বিনা কারনে তালাক দেয়, মারধর করে, ঝলসিয়ে দেয় অঙ্গ।
গুলি করে, জবাই করে, গলা টিপে মারে, করে ইহলিলা সাঙ্গ।
এতটুকু ভালোবাসা নেই হৃদয়ে পাষাণের।
তাজা রক্তে হাত রাঙায় জান নিয়ে প্রিয়জনের।
মোল্লার ঘরে আছে কি মেয়েরা পরম সুখে?
সেখানো শান্তি নেই মরমে মরে দুঃখে।
বিয়ে করে কুমারি কন্যা যাতে বার্ধক্য না ধরে।
দাসি করে রাখে যাতে মনিবে‍র কথায় প্রতিবাদ না করে।
আল্লাহর পর সিজদার হুকুম না হলেও স্বামীকে, মর্যাদা কি কম তাতে?
এত্তেবা কর স্বামীর মুক্তি পাবে আখেরাতে।
প্রেম নেই ভালোবাসা নেই সম্বন্ধ গুরু শিষ্যের।
বছর বছর উপহার দেয় নতুন নতুন মুখের।
রোগে শোকে জ্বরা জীর্ণে বুড়িয়ে যায় তি‍রিশে।
জেনানার চিকিৎসা হয় না বেপর্দা নাজায়েজ, দেখবে পর পুরুষে।
মোল্লা ফতোয়া দেয় একে একে চতুর্থ বিবাহের।
পুরো করে মনস্কামনা তাদের অন্তরের।
চার বিবি থাকতেও আরবরা ছ‍ুটে যায় প্রমোদ তরীতে।
লন্ডন, আমেরিকা, হংকং, সিংগাপুরের ক্যাসিনোগুলিতে।
কোথায় নবীজির (দঃ) দেয়া খাদিজা‍ (রঃ)কে সম্মান।
আয়েশাকে (রঃ) দেয়া ভালোবাসা অম্লান।
কোথায় প্রাচ্য, কোথায় পাশ্চাত্য, ধনী-নির্ধন, ভালোবাসার অভাব আজ সর্বত্র।
আইন করে রুখা যাবে না এই সব চরিত্র।
মেয়েরা আজ জাগো জ্ঞান অর্জন করো ক্বোরআন দিয়েছে তোমায় সেই অধিকার।
সচেতন হতে হবে, নিজেকেই অর্জন করতে হবে স্বাধীকার।

No comments:

Post a Comment